সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমি দখলের পর এবার হারমন পার্বত্য অঞ্চল দখলে নিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে বাফার জোন পুরোটা দখলে নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে গেল ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট।
হারমন পর্বতকে কৌশলগত কারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। কারণ এটি এই অঞ্চলের সবচেয়ে উঁচু জায়গা। এখান থেকে শত্রুদের আক্রমণ সম্পর্কে পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, সিরিয়ার কোনো বাহিনী যদি ইসরায়েলের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত না করে, তবে তারা সিরিয়ার কোনো অভ্যন্তরীণ ঘটনায় জড়িত হবে না।

গত রোববার সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর পরই দামেস্কের একটি রাসায়নিক অস্ত্র কারখানায় হামলা চালায় আইডিএফ, যাতে বিদ্রোহীরা এই অস্ত্র কারখানা দখলে নিতে না পারে।
আইডিএফ জানিয়েছে, ইসরায়েলের নিরাপত্তা যাতে কোনোভাবেই হুমকির মুখে না পড়ে, সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছে ইসরায়েল এবং এ জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।
সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমির কাছে ভূমি দখল করে ইসরায়েলের ক্রমাগত বিমান হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে কাতার, ইরাক ও সৌদি আরব। খবর আল জাজিরা
গতকাল সোমবার কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, দোহা মনে করে সিরিয়াতে ইসরায়েলের হামলা দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সামিল। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলের এ ধরনের কর্মকাণ্ড এ অঞ্চলকে আরও সহিংসতার দিকে নিয়ে যাবে।
সৌদি আরব এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বলেছে, ইসরায়েল ক্রমাগত আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। এর ফলে সিরিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের সুযোগকে দূরে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।
এ অবস্থায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে নিন্দা জানানোর দাবি করেছে। একই সঙ্গে জোর দিয়ে বলেছে যে গোলান মালভূমি আরবের অধিকৃত অঞ্চল।
বাগদাদও ইসরায়েলের এ কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে তুলনা করে নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা রক্ষায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং ইসরায়েলের এ আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















