গুণে ভরপুর কালোজিরার নানান উপকারিতা

মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। রান্নাঘরের দরকারি মসলার মধ্যে কালিজিরা অন্যতম। প্রাকৃতিক ঔষধি হিসেবেও কালিজিরা বেশ জনপ্রিয়। কালিজিরাতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট নানা রোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।

কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি।

জেনে নিন কালোজিরার নানান উপকারিতা:

কালিজিরা ওজন কমায়

কালিজিরা উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ। তাই কালিজিরা খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধার অনুভূতি থাকে না। ফলে বার বার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। কালোজিরাতে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। রান্নায় কালিজিরা ব্যবহার করলে খাদ্যের পুষ্টিগুণও বাড়ে। কালিজিরা গুঁড়া ভাতের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

মাথা ব্যাথা নিরাময়ে

১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩সপ্তাহ খেলে মাথা ব্যাথায় উপকার পাওয়া যায়।

কালিজিরা তেল চুল পড়া ঠেকায়

যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ে তারাও এই তেল মাথায় ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে সমপরিমাণ কালিজিরার তেল মিশিয়ে গরম করে নিন। মাথায় ত্বকে এই তেল কুসুম গরম অবস্থায় মালিশ করুন। এক সপ্তাহ টানা এমন করলে চুল পড়ার সমস্যা মিটবে অনেকটাই।

শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে

কালোজিরা দুই বছরের অধিক বয়সী শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে কালোজিরা। দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে।

পেটের জন্য উপকারি

কালিজিরা পেটের জন্য ভাল। কালিজিরা ভেজে গুঁড়া করে নিন। এবার আধা-কাপ ঠাণ্ডা করা দুধে এই কালিজিরা এক চিমটে মিশিয়ে খালি পেটে প্রতিদিন খান। পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তাদের জন্য কালিজিরা খুব উপকারি। কালিজিরা হজমেও সাহায্য করে। ক্ষুধামন্দা দূর করে। নিয়মিত কালিজিরা খেলে পেটের সমস্যা দূর হয়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কালোজিরা খুবই উপকারী। বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগ একটি বিপদজনক মারণদায়ী রোগে পরিণত হয়েছে। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হলে জীবন নাশের ঝুকি বেশি থাকে। তবে এই ডায়াবেটিস রোগ থেকে নিরাময় দিতে সক্ষম কালোজিরা। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিনিয়ত সকাল বেলায় এক কাপ চায়ের সঙ্গে কালোজিরার তেল মিশ্রণ করে খেতে পারেন।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কালোজিরার ভূমিকা অতুলনীয়। কালিজিরার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, রক্তে কোলেষ্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কালোজিরাতে উপস্থিত পুষ্টি উপাদান গুলি মানবদেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। গরম চা অথবা পানির সঙ্গে কালোজিরা যদি প্রতিনিয়ত সেবন করলে, উচ্চ রক্তচাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে সপ্তাহে একদিন কালিজিরার ভর্তা রাখুন ডায়েটে। রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে এই পথ্য বিশেষ কার্যকর।

এছাড়া কালিজিরা রক্ত চলাচল ঠিক রাখে। নিয়মিত কালিজিরা খেলে দেহে রক্ত চলাচলের মাত্রা ঠিক থাকে। এতে হৃদযন্ত্র ভাল থাকে। মনোযোগ ধরে রাখতেও সাহায্য করে এটি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যারোটিন থাকায় তা অ্যান্টিক্যানসার হিসেবেও জনপ্রিয়।

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে কালোজিরা। উষ্ণ গরম পানিতে কালোজিরা ভিজিয়ে রাখার পর ওই পানি দিয়ে কুলিকুচি করলে দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কালোজিরার পানি মুখের ভেতরে থাকা জীবাণু খুব সহজেই মেরে ফেলতে সক্ষম। যার কারণে দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির যেকোনো সমস্যা থেকে সমাধান দিতে সাহায্য করে কালোজিরা।

ধরে রাখে ত্বকের তারুণ্য

ত্বকের যত্নে কালোজিরা অত্যন্ত কার্যকর। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। এক্ষেত্রে যা করতে পারেন:মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।
শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

সতর্কতা

‘সকল রোগের মহৌষধ’ হিসেবে কালিজিরার জুড়ি নেই। শারীরিক যে সমস্যার কারণেই কালিজিরা খান, তা সঠিক পরিমাণে হওয়া চাই। প্রতিদিন কতটুকু কালিজিরা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসবে তা চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের কালিজিরা খাওয়া উচিত না। এতে গর্ভের শিশুর মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া শারীরিক বিশেষ কোন সমস্যার কারণে চিকিৎসক কালিজিরা খেতে নিষেধ করলে অবশ্যই তা মেনে চলা উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রক্ষা পেল তিন হাজারের বেশি গাছ

গুণে ভরপুর কালোজিরার নানান উপকারিতা

আপডেট সময় ০৪:১১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

মানুষ খাবারের সঙ্গে ‘কালিজিরা’ গ্রহণ করে আসছে প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। রান্নাঘরের দরকারি মসলার মধ্যে কালিজিরা অন্যতম। প্রাকৃতিক ঔষধি হিসেবেও কালিজিরা বেশ জনপ্রিয়। কালিজিরাতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট নানা রোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।

কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। কালিজিরার তেলও আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকারি। এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।
সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি।

জেনে নিন কালোজিরার নানান উপকারিতা:

কালিজিরা ওজন কমায়

কালিজিরা উচ্চ আঁশসমৃদ্ধ। তাই কালিজিরা খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধার অনুভূতি থাকে না। ফলে বার বার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। কালোজিরাতে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। রান্নায় কালিজিরা ব্যবহার করলে খাদ্যের পুষ্টিগুণও বাড়ে। কালিজিরা গুঁড়া ভাতের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

মাথা ব্যাথা নিরাময়ে

১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩সপ্তাহ খেলে মাথা ব্যাথায় উপকার পাওয়া যায়।

কালিজিরা তেল চুল পড়া ঠেকায়

যাদের অতিরিক্ত চুল পড়ে তারাও এই তেল মাথায় ব্যবহার করতে পারেন। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে সমপরিমাণ কালিজিরার তেল মিশিয়ে গরম করে নিন। মাথায় ত্বকে এই তেল কুসুম গরম অবস্থায় মালিশ করুন। এক সপ্তাহ টানা এমন করলে চুল পড়ার সমস্যা মিটবে অনেকটাই।

শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে

কালোজিরা দুই বছরের অধিক বয়সী শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে কালোজিরা। দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে।

পেটের জন্য উপকারি

কালিজিরা পেটের জন্য ভাল। কালিজিরা ভেজে গুঁড়া করে নিন। এবার আধা-কাপ ঠাণ্ডা করা দুধে এই কালিজিরা এক চিমটে মিশিয়ে খালি পেটে প্রতিদিন খান। পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। যারা দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তাদের জন্য কালিজিরা খুব উপকারি। কালিজিরা হজমেও সাহায্য করে। ক্ষুধামন্দা দূর করে। নিয়মিত কালিজিরা খেলে পেটের সমস্যা দূর হয়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে কালোজিরা খুবই উপকারী। বর্তমানে ডায়াবেটিস রোগ একটি বিপদজনক মারণদায়ী রোগে পরিণত হয়েছে। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হলে জীবন নাশের ঝুকি বেশি থাকে। তবে এই ডায়াবেটিস রোগ থেকে নিরাময় দিতে সক্ষম কালোজিরা। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিনিয়ত সকাল বেলায় এক কাপ চায়ের সঙ্গে কালোজিরার তেল মিশ্রণ করে খেতে পারেন।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কালোজিরার ভূমিকা অতুলনীয়। কালিজিরার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখে, রক্তে কোলেষ্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কালোজিরাতে উপস্থিত পুষ্টি উপাদান গুলি মানবদেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। গরম চা অথবা পানির সঙ্গে কালোজিরা যদি প্রতিনিয়ত সেবন করলে, উচ্চ রক্তচাপের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে সপ্তাহে একদিন কালিজিরার ভর্তা রাখুন ডায়েটে। রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে এই পথ্য বিশেষ কার্যকর।

এছাড়া কালিজিরা রক্ত চলাচল ঠিক রাখে। নিয়মিত কালিজিরা খেলে দেহে রক্ত চলাচলের মাত্রা ঠিক থাকে। এতে হৃদযন্ত্র ভাল থাকে। মনোযোগ ধরে রাখতেও সাহায্য করে এটি। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ক্যারোটিন থাকায় তা অ্যান্টিক্যানসার হিসেবেও জনপ্রিয়।

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে কালোজিরা। উষ্ণ গরম পানিতে কালোজিরা ভিজিয়ে রাখার পর ওই পানি দিয়ে কুলিকুচি করলে দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কালোজিরার পানি মুখের ভেতরে থাকা জীবাণু খুব সহজেই মেরে ফেলতে সক্ষম। যার কারণে দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির যেকোনো সমস্যা থেকে সমাধান দিতে সাহায্য করে কালোজিরা।

ধরে রাখে ত্বকের তারুণ্য

ত্বকের যত্নে কালোজিরা অত্যন্ত কার্যকর। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে। এক্ষেত্রে যা করতে পারেন:মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।
শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

সতর্কতা

‘সকল রোগের মহৌষধ’ হিসেবে কালিজিরার জুড়ি নেই। শারীরিক যে সমস্যার কারণেই কালিজিরা খান, তা সঠিক পরিমাণে হওয়া চাই। প্রতিদিন কতটুকু কালিজিরা খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আসবে তা চিকিৎসকের কাছে জেনে নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গর্ভবতী নারীদের কালিজিরা খাওয়া উচিত না। এতে গর্ভের শিশুর মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া শারীরিক বিশেষ কোন সমস্যার কারণে চিকিৎসক কালিজিরা খেতে নিষেধ করলে অবশ্যই তা মেনে চলা উচিত।