বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট আমাজনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস। বিশ্বের কাছে এক অমূল্য ভাণ্ডার আমাজনের জঙ্গল। উষ্ণ পৃথিবীতে অক্সিজেন দিয়ে জীব বৈচিত্রকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এই আমাজন। এই অরন্যের ভয়াবহতা ও সৌন্দর্য নিয়ে তৈরি হয়েছে বহু লোমহর্ষক সিনেমা ও বই। সম্প্রতি ভয়াবহ দাবানলে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এর একটা অংশ। আগুনে পুড়ে মারা গেছে কত শত না বিরল প্রাণি। এই আমাজনেরই কয়েকটি ভয়ঙ্কর প্রাণী সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

গ্রিন অ্যানাকোন্ডা
আমাজন বলতেই অ্যানাকোন্ডা সাপের কথা চোখে ভাসে। এই অ্যানাকোন্ডারই অরেক জাত এই গ্রিন অ্যানাকোন্ডা। একে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাপ। আমাজন নদীতেই এদের দেখা মেলে। এদের দৈর্ঘ্য ৩০ ফুট পর্যন্ত হয়। ওজন ২৫০ কেজিরও বেশি।

বুল শার্ক
হাঙরদের দেখা মেলে সমুদ্রে। কিন্তু আমাজন নদীতেও এক ধরনের হাঙ্গর দেখতে পাওয়া যায়, যার নাম বুল শার্কের। বিশাল দেহী এই প্রাণিটি লম্বায় ১১ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। ওজন ৩০০ কেজিও হতে পারে।

ইলেকট্রিক ইল
এরা ক্যাটফিশ প্রজাতির। দৈর্ঘ্যে প্রায় সাড়ে আট ফুটের মত হয়। এদের শরীরে ৬০০ ভোল্টের মত বিদ্যুত্ উত্পন্ন হয়। ব্ল্যাক কেমান: এদের আমাজন নদীর রাজা বলা হয়। দৈর্ঘ্যে প্রায় ২০ ফুট মতো হয়।

অরপাইমা
বিশ্বের সুস্বাদু জলের বৃহত্তম মাছ এটি। পিরারুকু নামেও পরিচিত এরা। দৈর্ঘ্যে এরা প্রায় ১০ ফুট হয়। এরা মাংসাশী হয়।

পিরানহা
এই মাছের মধ্যে রেড বেলি পিরানহা খুবই ভয়ানক। আমাজন নদীর ত্রাস বলা হয় এই মাছকে। এরা ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ায়। শিকার করে দলবদ্ধ ভাবে। এদের দাঁতে এত ধার যে নিমেষে বড় কোনো পশুকে সাবড়ে দিতে পারে।
নিজস্ব সংবাদ : 




















