সংবাদ শিরোনাম ::

মাছের আড়তে মিলল ‘সুন্ধি কচ্ছপ’ , ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মাছের আড়তে মিলল ‘সুন্ধি কচ্ছপ’ , ব্যবসায়ীকে জরিমানা

পটুয়াখালীর একটি মাছের আড়ত থেকে চারটি সুন্ধি কচ্ছপ উদ্ধার করে নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

রোববার রাতে পৌর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার ‘মেসার্স নাবিলা ফিস আড়ত’ থেকে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর। তিনি বন্যপ্রাণী কচ্ছপ ক্রয়-বিক্রয়ের দায়ে মো. সোহেল হাওলাদার নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী বন্যপ্রাণী কচ্ছপ সংগ্রহ ও ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কচ্ছপ বিক্রির দায়ে মাছ ব্যবসায়ী সোহেল হাওলাদারকে জরিমানা করা হয়েছে।”

পরে আড়ত থেকে উদ্ধার চারটি সুন্ধি কচ্ছপ লোহালিয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয় বলে জানান তিনি। পটুয়াখালী সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রি, অ্যানিমেল লাভার অব পটুয়াখালীর সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

মাদারীপুর থেকে প্রায় বিলুপ্ত একটি গ্রে ঈগল আহত অবস্থায় উদ্ধার

মাছের আড়তে মিলল ‘সুন্ধি কচ্ছপ’ , ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আপডেট সময় ০৩:৩৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৪

পটুয়াখালীর একটি মাছের আড়ত থেকে চারটি সুন্ধি কচ্ছপ উদ্ধার করে নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

রোববার রাতে পৌর শহরের লঞ্চঘাট এলাকার ‘মেসার্স নাবিলা ফিস আড়ত’ থেকে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত কচ্ছপগুলো উদ্ধার করে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর। তিনি বন্যপ্রাণী কচ্ছপ ক্রয়-বিক্রয়ের দায়ে মো. সোহেল হাওলাদার নামের এক মাছ ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাংবাদিকদের বলেন, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী বন্যপ্রাণী কচ্ছপ সংগ্রহ ও ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই কচ্ছপ বিক্রির দায়ে মাছ ব্যবসায়ী সোহেল হাওলাদারকে জরিমানা করা হয়েছে।”

পরে আড়ত থেকে উদ্ধার চারটি সুন্ধি কচ্ছপ লোহালিয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয় বলে জানান তিনি। পটুয়াখালী সদর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রি, অ্যানিমেল লাভার অব পটুয়াখালীর সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।