সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান

মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ইকোনমিক জোন এলাকায় ১১ এপ্রিল ২০২৬-এ একটি চিত্রা হরিণ জবাইয়ের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, তিন জন ব্যক্তি একটি খালের পানিতে একটি হরিণকে দা দিয়ে জবাই করছে। এ ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সচেতন বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তীব্র সমালোচনা শুরু হওয়ায় অভিযান শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ধরতে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনরা উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের একটি পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করে।

উপকূলীয় বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নওশাদ বলেন, ‘মিরসরাই ইকোনমিক জোনের পাশে মুহুরি প্রজেক্ট এলাকায় লোকালয়ের কাছে গতকাল সকালে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই এলাকায় এখন আর তেমন হরিণ নেই।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে আমরা ধারণা করছি হরিণটি হয়তো পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী রেঞ্জ থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসে স্থানীয় কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছিল। এই সুযোগে ওই তরুনরা হরিণটিকে জবাই করে হত্যা করে।’

নওশাদ বলেন, ওই তরুণরা এখানে কোন কারখানায় কাজ করে। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক আছে। তাদের ধরতে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি এবং এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

তিনি আরো বলেন, “মিরসরাই উপকূলী বনে এক সময় ৫ হাজারেরও অধিক হরিণ বসবাস করতো। ইকোনমিক জোন করার সময় অনেক হরিণ মারা পড়ে। এই এলাকায় বর্তমানে প্রায় ২০০ হরিণ বেঁচে আছে। তারা মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড রেঞ্জের বনে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। পথে স্থানীয় কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়ে মারা যায়।”

উল্লেখ্য, মিরসরাই উপকূলীয় সংরক্ষিত বনের প্রায় ৩০ হাজার একর জমিতে ২০১৫ সাল থেকে ইকোনমিক জোনটি গড়ে তোলার সময় অন্তত ৫ কোটি গাছ কাটা হয়। এতে ওই এলাকার জীববৈচিত্র্য হুমকির মধ্যে পড়ে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

মিরসরাইয়ে হরিণ জবাই! জড়িতদের ধরতে বন বিভাগের অভিযান

আপডেট সময় ০৩:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ইকোনমিক জোন এলাকায় ১১ এপ্রিল ২০২৬-এ একটি চিত্রা হরিণ জবাইয়ের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  ভিডিওতে দেখা যায়, তিন জন ব্যক্তি একটি খালের পানিতে একটি হরিণকে দা দিয়ে জবাই করছে। এ ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সচেতন বাংলাদেশিদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তীব্র সমালোচনা শুরু হওয়ায় অভিযান শুরু হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ধরতে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনরা উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের একটি পোল্ট্রি ফার্মে কাজ করে।

উপকূলীয় বন বিভাগের মিরসরাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নওশাদ বলেন, ‘মিরসরাই ইকোনমিক জোনের পাশে মুহুরি প্রজেক্ট এলাকায় লোকালয়ের কাছে গতকাল সকালে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই এলাকায় এখন আর তেমন হরিণ নেই।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে আমরা ধারণা করছি হরিণটি হয়তো পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী রেঞ্জ থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসে স্থানীয় কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়েছিল। এই সুযোগে ওই তরুনরা হরিণটিকে জবাই করে হত্যা করে।’

নওশাদ বলেন, ওই তরুণরা এখানে কোন কারখানায় কাজ করে। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক আছে। তাদের ধরতে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি এবং এ ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে।

তিনি আরো বলেন, “মিরসরাই উপকূলী বনে এক সময় ৫ হাজারেরও অধিক হরিণ বসবাস করতো। ইকোনমিক জোন করার সময় অনেক হরিণ মারা পড়ে। এই এলাকায় বর্তমানে প্রায় ২০০ হরিণ বেঁচে আছে। তারা মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড রেঞ্জের বনে আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে। পথে স্থানীয় কুকুরের আক্রমণের শিকার হয়ে মারা যায়।”

উল্লেখ্য, মিরসরাই উপকূলীয় সংরক্ষিত বনের প্রায় ৩০ হাজার একর জমিতে ২০১৫ সাল থেকে ইকোনমিক জোনটি গড়ে তোলার সময় অন্তত ৫ কোটি গাছ কাটা হয়। এতে ওই এলাকার জীববৈচিত্র্য হুমকির মধ্যে পড়ে।