সংবাদ শিরোনাম ::

‘যুদ্ধাপরাধে’ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক আপিলে খালাস

‘যুদ্ধাপরাধে’ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক আপিলে খালাস

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারকের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার মোবারক হোসেনের আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেয়।

 

মোবারক হোসেন ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

 

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে তার সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

 

সেই রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য’ ছিলেন।

 

তার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি ‘প্রমাণিত’ হওয়ার কথা জানিয়ে একটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।

 

পরে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মোবারক হোসেন আপিল করেন। চলতি বছরে ৮ জুলাই সেই আপিলের শুনানি শুরু হয়।

 

আপিল বিভাগে মোবারকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী এম এইচ তামিম।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর থেকে প্রায় বিলুপ্ত একটি গ্রে ঈগল আহত অবস্থায় উদ্ধার

‘যুদ্ধাপরাধে’ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মোবারক আপিলে খালাস

আপডেট সময় ১২:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. মোবারক হোসেনের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

 

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারকের আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার মোবারক হোসেনের আপিল মঞ্জুর করে এ রায় দেয়।

 

মোবারক হোসেন ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

 

মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২৪ নভেম্বর তাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে তার সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের আদেশ দেওয়া হয়।

 

সেই রায়ে বলা হয়, একাত্তরে মোবারক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘রাজাকার বাহিনীর অন্যতম সদস্য’ ছিলেন।

 

তার বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি ‘প্রমাণিত’ হওয়ার কথা জানিয়ে একটিতে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় ট্রাইব্যুনাল।

 

পরে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মোবারক হোসেন আপিল করেন। চলতি বছরে ৮ জুলাই সেই আপিলের শুনানি শুরু হয়।

 

আপিল বিভাগে মোবারকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিক। প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গাজী এম এইচ তামিম।