কক্সবাজারের রামুতে সংরক্ষিত বনের পরিবর্তে বিকল্প স্থানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
বাফুফের টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণ হলে এশিয়ান বন্য হাতির বিচরণক্ষেত্র, বন, বন্যপ্রাণী এবং জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই সেখানে টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া পর পরিবেশবাদী, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিবেদিত ব্যক্তি ও সংস্থা, সাধারণ মানুষ প্রতিবাদে শামিল হয়। এবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের অনুরোধে সংরক্ষিত বনে স্থাপনা নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলো পরিষদ।
এখন সংরক্ষিত বনের ২০ একর জায়গার পরিবর্তে, রামুর ধলিরছড়ায় ১৯.১ একর পরিত্যক্ত জমিতে সেন্টারটি স্থাপন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ১ সেপ্টেম্বর চিঠি দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
গত রোববার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বর স্বাক্ষরিত এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

কক্সবাজারের ওই সংরক্ষিত বনের বিকল্প কোনো স্থানে বাফুফের টেকনিক্যাল সেন্টার নির্মাণের জন্য পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টাকে পত্র দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।
ফিফার অর্থায়নে বাফুফের ‘টেকনিক্যাল সেন্টার’ নির্মাণের জন্য খুনিয়াপালং মৌজার ২৫.০ একর ভূমি থেকে ২০ একর সংরক্ষিত বনভূমি অবমুক্ত (ডি-রিজার্ভ) করার আদেশ বাতিলের অনুরোধ জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে একটি সারসংক্ষেপ পাঠান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা। এরপরেই সংরক্ষিত বনের পরিবর্তে বিকল্প জায়গায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ার সিদ্ধান্ত এলো।
এবিষয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় খুনিয়াপালংয়ের বদলে একই উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের ধলিরছড়ায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়তে জায়গা বরাদ্দ প্রাপ্তির প্রক্রিয়া চলছে।
ডেস্ক রিপোর্ট 




















