ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাঘ, ইলিশ, বর্ণিল মুখোশের মোটিফ এবং জুলাই আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে ফ্যাসিবাদ বিরোধী অবয়ব,৩৬ জুলাই মোটিফে এবার মঙ্গলশোভাযাত্রার নাম বদলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে গেল বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এতে ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতীকী মোটিফ যেমন- তরমুজের ফালি ব্যবহৃত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার র্যালি শেষ হয়েছে। সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শুরু হয়ে ১০টা ৩০ মিনিটে চারুকলা অনুষদের সামনেই এসে সমাপ্ত হয়।
নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। শোভাযাত্রায় অংশ নেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, কৃষক ও রিকশাচালক প্রতিনিধি, নারী ফুটবলার এবং ২৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বরাবরের মতোই এতে বেশ কয়েকজন ভিনদেশী মানুষকেও সম্পূর্ণ বাঙালি সাজে অর্থাৎ শাড়ি-পাঞ্জাবি-ফতুয়ায় বর্ণিল এই শোভাযাত্রায় অংশ নিতে দেখা যায়।

অনেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে জানান বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা, বলেন শুভ নববর্ষ।

শাড়ি,পাঞ্জাবি পরা নানা বয়সী মানুষ, গালে আল্পনা, মাথায় ফুলের মুকুট পরা শিশু কিশোরীদের উপস্থিতি ছিল টিএসসি, শাহবাগ, শহীদ মিনার এলাকায়।

এবারের শোভাযাত্রায় প্রথম সারিতেই পুলিশ, সোয়াতের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে নিরাপত্তা রক্ষায় বাহিনীর সদস্যদের দেখা গেছে শোভাযাত্রার পাশে, মাঝে।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শেষ হয়।

শোভাযাত্রা শেষ হলেও পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা আজ থাকবে লোকেলোকারণ্য। ইতোমধ্যে টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢল নেমেছে বর্ণিল পোশাকের মানুষদের।
নাসিমুল শুভ 




















