আজান শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো, ডাকা, আহ্বান করা। আজান দ্বারা উদ্দেশ হলো, বিশেষ কিছু শব্দের মাধ্যমে নামাজের সময় সম্পর্কে জানানো। আজানের মাধ্যমেই মুসলমানরা বুঝতে পারেন যে নামাজের সময় হয়েছে।
নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা ওয়াজিবের কাছাকাছি। এছাড়াও তা ইসলামের অন্যতম নিদর্শন বহন করে। আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া স্বতন্ত্র্য ইবাদতও বটে।
আজান শোনা ও আজানের উত্তর দেওয়া সুন্নত। যারা আজান শুনবেন, তারা মৌখিকভাবে জবাব দেবেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘যখন তোমরা আজান শুনবে, তখন জবাবে মুয়াজ্জিনের মতো তোমরাও তা বলবে।’ (বুখারি, হাদিস: ৬১১)
আজান নিয়ে সমাজে প্রচলিত একটি ভুল ধারণা হলো, আজানের সময় কথা বলা বলা যায় না, এ সময় কথা বলা হারাম। আলেমরা বলেন, কথাটি ঠিক নয়। তবে আজানের সময় কথা না বলা উচিত। বরং তিলাওয়াত, জিকির ও ধর্মীয় কথাবার্তা বন্ধ করে আজানের জবাব দেয়া উচিত।
আজানের সময় কথা বলা, হাসি-ঠাট্টা করা সুন্নাহ পরিপন্থি কাজ। আজানের জবাব দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। হাসি-ঠাট্টার তো প্রশ্নই আসেনা। আজানের সময় চুপ থেকে মনোযোগ দিয়ে আজান শুনবেন। অনেকে আজানের সময়ও বক্তব্য দেন। এটা একদমই ঠিক নয়। আপনি আজান শুনার পর থেমে যাবেন। তখন চুপ করে শুনবেন আর আজানের জবাব দিবেন। এটিই আজানের আদব। এটা বুঝতে হবে। এটা ইবাদতের সময়। সুতরাং আজানের সময় তামাশা করা মানে এই বুঝায় যে, তার মধ্যে কোনো তাকওয়া নেই। আপনার বুঝতে হবে, আজান শুনার পর শয়তানও পালিয়ে যায়। এতটা পাওয়ারফুল। আজান অত্যান্ত গুরুত্ব। এর আদব মনে রাখা উচিত।
ডেস্ক রিপোর্ট 



















