সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

সুস্থ থাকার জন্য মেনে চলুন এই ৩ নিয়ম

সারাবছরই মাথাব্যথা, পেটে যন্ত্রণা, হাঁচি-কাশি, সর্দির সমস্যা যেন অনেককে ভোগায়। তা ছাড়া গ্যাস-অম্বল তো আছেই। দ্রুত সুস্থ হতে ওষুধই ভরসা অনেকের। ওষুধ সাময়িক ভাবে সুস্থ হতে সাহায্য করে। কিন্তু নিয়মের একটু বদল ঘটলেই আবার নানা অসুখ-বিসুখ জাঁকিয়ে বসে সাহায্য করে। তাহলে উপায়? অসুস্থতার সঙ্গে টানা লড়াই করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে রোজের জীবনে এমন কিছু অভ্যাস তৈরি করতে হবে, যাতে শরীর নীরোগ থাকে। সময়ে খাওয়া, বাইরের খাবার কম খাওয়া কিংবা পর্যাপ্ত ঘুম ছাড়াও বাড়তি কিছু অভ্যাসের সঙ্গে অভ্যস্ত হতে হবে ভালো থাকতে চাইলে।

নিয়মিত হাঁটা
সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটার কথা বলছেন চিকিৎসকেরা। হাঁটলে শরীরের ব্যায়াম। তা ছাড়া রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় ধারাবাহিক ভাবে হাঁটলে। অনেকেই ভারী খাবার খেয়েই পড়েন। যে কারণে হজম ঠিক মতো হতে পারে না। বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়। খাওয়ার পরে যদি কিছুক্ষণ হাঁটেন, তা হলে আলাদা ব্যায়াম হয়। সময়ের অভাব থাকসে, রোজ ১৫ মিনিট হাঁটলেও চলবে।

প্রাণায়াম
রোজ শ্বাসের ব্যায়াম করতে পারলে প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। জোর বাড়বে ফুসফুসের। রোগবালাইয়ের সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রাণায়াম একটা বড় অস্ত্র হতে পারে। রোজ ১০ মিনিট প্রাণায়াম করতে পারলে ভালো হয়। কী ভাবে করবেন? শিরদাঁড়া সোজা করে পা মুড়ে বসুন। মাথা এবং ঘাড় টান টান থাকবে। দু’হাত দুই হাঁটুর উপরে রাখুন। কোমরে পিছনে কুশন রাখুন। এ বার এই পোজে কিছুক্ষণ বসুন। নাক দিয়ে শ্বাস টেনে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। রোজ প্রাণায়াম করলে মনঃসংযোগও বাড়বে।

ঘুমোনোর আগে চা-কফি নয়
সুস্থ থাকার জন্য খাওয়াদাওয়া রুটিনে বাঁধতে হবে। খুব ভালো হয় যদি রাতের খাবার ৯টার মধ্যে খেয়ে নেওয়া যায়। তা হলে হজমের গোলমাল একেবারে দূরে চলে যাবে। গ্যাস-অম্বলও কাছে ঘেঁষতে পারবে না। তা ছাড়া অনেকে রাতের খাবার খাওয়ার পরে চা-কফি খান। রাত জেগে কাজ করতে গিয়ে ঘন ঘন কফির কাপে চুমুক দেন অনেকে। ঘন ঘন কফি খেলে শরীরে ক্যাফিনের মাত্রা বাড়ে। এর ফলে নানা অসুখবিসুখ দেখা দেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

সুস্থ থাকার জন্য মেনে চলুন এই ৩ নিয়ম

আপডেট সময় ১২:৩৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

সারাবছরই মাথাব্যথা, পেটে যন্ত্রণা, হাঁচি-কাশি, সর্দির সমস্যা যেন অনেককে ভোগায়। তা ছাড়া গ্যাস-অম্বল তো আছেই। দ্রুত সুস্থ হতে ওষুধই ভরসা অনেকের। ওষুধ সাময়িক ভাবে সুস্থ হতে সাহায্য করে। কিন্তু নিয়মের একটু বদল ঘটলেই আবার নানা অসুখ-বিসুখ জাঁকিয়ে বসে সাহায্য করে। তাহলে উপায়? অসুস্থতার সঙ্গে টানা লড়াই করা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে রোজের জীবনে এমন কিছু অভ্যাস তৈরি করতে হবে, যাতে শরীর নীরোগ থাকে। সময়ে খাওয়া, বাইরের খাবার কম খাওয়া কিংবা পর্যাপ্ত ঘুম ছাড়াও বাড়তি কিছু অভ্যাসের সঙ্গে অভ্যস্ত হতে হবে ভালো থাকতে চাইলে।

নিয়মিত হাঁটা
সুস্থ থাকতে নিয়মিত হাঁটার কথা বলছেন চিকিৎসকেরা। হাঁটলে শরীরের ব্যায়াম। তা ছাড়া রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় ধারাবাহিক ভাবে হাঁটলে। অনেকেই ভারী খাবার খেয়েই পড়েন। যে কারণে হজম ঠিক মতো হতে পারে না। বদহজমের সমস্যা দেখা দেয়। খাওয়ার পরে যদি কিছুক্ষণ হাঁটেন, তা হলে আলাদা ব্যায়াম হয়। সময়ের অভাব থাকসে, রোজ ১৫ মিনিট হাঁটলেও চলবে।

প্রাণায়াম
রোজ শ্বাসের ব্যায়াম করতে পারলে প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। জোর বাড়বে ফুসফুসের। রোগবালাইয়ের সঙ্গে লড়াই করার জন্য প্রাণায়াম একটা বড় অস্ত্র হতে পারে। রোজ ১০ মিনিট প্রাণায়াম করতে পারলে ভালো হয়। কী ভাবে করবেন? শিরদাঁড়া সোজা করে পা মুড়ে বসুন। মাথা এবং ঘাড় টান টান থাকবে। দু’হাত দুই হাঁটুর উপরে রাখুন। কোমরে পিছনে কুশন রাখুন। এ বার এই পোজে কিছুক্ষণ বসুন। নাক দিয়ে শ্বাস টেনে ধীরে ধীরে ছাড়ুন। রোজ প্রাণায়াম করলে মনঃসংযোগও বাড়বে।

ঘুমোনোর আগে চা-কফি নয়
সুস্থ থাকার জন্য খাওয়াদাওয়া রুটিনে বাঁধতে হবে। খুব ভালো হয় যদি রাতের খাবার ৯টার মধ্যে খেয়ে নেওয়া যায়। তা হলে হজমের গোলমাল একেবারে দূরে চলে যাবে। গ্যাস-অম্বলও কাছে ঘেঁষতে পারবে না। তা ছাড়া অনেকে রাতের খাবার খাওয়ার পরে চা-কফি খান। রাত জেগে কাজ করতে গিয়ে ঘন ঘন কফির কাপে চুমুক দেন অনেকে। ঘন ঘন কফি খেলে শরীরে ক্যাফিনের মাত্রা বাড়ে। এর ফলে নানা অসুখবিসুখ দেখা দেয়।